সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে কুকুরের কামড়ে শিশুর মৃত্যু, আতঙ্কে এলাকাবাসী

সাদুল্লাপুরে কুকুরের কামড়ে সিনথিয়া আক্তার (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের উত্তর হাটবামুনী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিনথিয়া ওই গ্রামের সনজু মিয়ার মেয়ে। প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি কুকুর তাকে তাড়া করে কামড় দিলে গুরুতর আহত হয়। স্বজনরা তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাদুল্লাপুর ইউএনও রওজাতুন জান্নাত, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিলকিস চৌধুরী এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানভীক জাহান। তারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানান।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আক্রমণাত্মক কুকুরের উপদ্রব রয়েছে। ফলে স্কুলগামী শিশু ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিয়মিত কুকুর নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।
ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, কুকুরের কামড়ের শিকার হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জলাতঙ্কের টিকা সম্পূর্ণ করার বিষয়ে স্থানীয়দের সচেতন করা হয়েছে এবং কুকুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট দফতরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অবহিত করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Kaysar Plabon

Popular Post

গাইবান্ধায় জেলা শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সাদুল্লাপুরে কুকুরের কামড়ে শিশুর মৃত্যু, আতঙ্কে এলাকাবাসী

Update Time : ০৩:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাদুল্লাপুরে কুকুরের কামড়ে সিনথিয়া আক্তার (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের উত্তর হাটবামুনী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিনথিয়া ওই গ্রামের সনজু মিয়ার মেয়ে। প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি কুকুর তাকে তাড়া করে কামড় দিলে গুরুতর আহত হয়। স্বজনরা তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাদুল্লাপুর ইউএনও রওজাতুন জান্নাত, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিলকিস চৌধুরী এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানভীক জাহান। তারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানান।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আক্রমণাত্মক কুকুরের উপদ্রব রয়েছে। ফলে স্কুলগামী শিশু ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিয়মিত কুকুর নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।
ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, কুকুরের কামড়ের শিকার হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জলাতঙ্কের টিকা সম্পূর্ণ করার বিষয়ে স্থানীয়দের সচেতন করা হয়েছে এবং কুকুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট দফতরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অবহিত করা হয়েছে।