বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে মহিলা আনসার সদস্যের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে দুর্গামন্দিরে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মোছা. পারভীন বেগম (৪৬) নামে এক মহিলা আনসার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তির পর সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্যালাইন দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পারভীন বেগম উপজেলার ৩ নম্বর দামোদরপুর ইউনিয়নের কিশামত বড়বাড়ি গ্রামের মো. মফিজল হকের মেয়ে।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রেখা রাণী রয় জানান, শনিবার (১৭ অক্টোবর) কিশামত বড়বাড়ি সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ বোধ করেন পারভীন। পরে দায়িত্বে থাকা প্লাটুন কমান্ডারকে বিষয়টি জানিয়ে ছুটি নিয়ে বাড়িতে চলে যান তিনি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়িতে ফেরার পর পারভীনের ঘন ঘন পাতলা পায়খানা ও বমি শুরু হয়। একপর্যায়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে তাঁকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তির পর পারভীনের সঙ্গে থাকা তাঁর বয়স্ক মা বারবার স্যালাইন দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও শুরুতে স্যালাইন দেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁদের।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল প্রায় ৬টার দিকে পারভীনকে স্যালাইন দেওয়া শুরু হয়। স্যালাইন চলাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে পারভীনের চিকিৎসায় কোনো অবহেলা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য জানা প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Kaysar Plabon

Popular Post

সিলেটে গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার

সাদুল্লাপুরে মহিলা আনসার সদস্যের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

Update Time : ০৭:৩৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে দুর্গামন্দিরে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মোছা. পারভীন বেগম (৪৬) নামে এক মহিলা আনসার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তির পর সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্যালাইন দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পারভীন বেগম উপজেলার ৩ নম্বর দামোদরপুর ইউনিয়নের কিশামত বড়বাড়ি গ্রামের মো. মফিজল হকের মেয়ে।
উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রেখা রাণী রয় জানান, শনিবার (১৭ অক্টোবর) কিশামত বড়বাড়ি সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ বোধ করেন পারভীন। পরে দায়িত্বে থাকা প্লাটুন কমান্ডারকে বিষয়টি জানিয়ে ছুটি নিয়ে বাড়িতে চলে যান তিনি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়িতে ফেরার পর পারভীনের ঘন ঘন পাতলা পায়খানা ও বমি শুরু হয়। একপর্যায়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে তাঁকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তির পর পারভীনের সঙ্গে থাকা তাঁর বয়স্ক মা বারবার স্যালাইন দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও শুরুতে স্যালাইন দেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁদের।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল প্রায় ৬টার দিকে পারভীনকে স্যালাইন দেওয়া শুরু হয়। স্যালাইন চলাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে পারভীনের চিকিৎসায় কোনো অবহেলা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য জানা প্রয়োজন।