বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাল-সবুজের পতাকায় শেষ বিদায় বীরাঙ্গনা ফুলমতির

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের বীরাঙ্গনা রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতনের শিকার এই বীর নারী ৮৪ বছর বয়সে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে মারা যান।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় সাদুল্লাপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর মরদেহে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতনের শিকার ফুলমতি স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর বীরাঙ্গনা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি একাত্তরের সেই দুঃসহ স্মৃতি বয়ে বেড়িয়েছেন।
সাদুল্লাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ আজমী বলেন, “ফুলমতি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তিনি একজন বীরাঙ্গনা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা মুক্তিযুদ্ধের একজন সাহসী নারীকে হারালাম।”
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায়ের সময় লাল-সবুজের পতাকায় আচ্ছাদিত ছিল বীরাঙ্গনা ফুলমতির মরদেহ। পরে ধর্মীয় রীতিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Kaysar Plabon

Popular Post

সিলেটে গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার

লাল-সবুজের পতাকায় শেষ বিদায় বীরাঙ্গনা ফুলমতির

Update Time : ০৭:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের বীরাঙ্গনা রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতনের শিকার এই বীর নারী ৮৪ বছর বয়সে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে মারা যান।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় সাদুল্লাপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তাঁর মরদেহে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতনের শিকার ফুলমতি স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর বীরাঙ্গনা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি লাভ করেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি একাত্তরের সেই দুঃসহ স্মৃতি বয়ে বেড়িয়েছেন।
সাদুল্লাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ আজমী বলেন, “ফুলমতি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তিনি একজন বীরাঙ্গনা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা মুক্তিযুদ্ধের একজন সাহসী নারীকে হারালাম।”
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায়ের সময় লাল-সবুজের পতাকায় আচ্ছাদিত ছিল বীরাঙ্গনা ফুলমতির মরদেহ। পরে ধর্মীয় রীতিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।