বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে প্রিপেইড মিটার: গাইবান্ধায় বাতিলের দাবি

‘উন্নত প্রযুক্তির’ নামে বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।
শনিবার সকালে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে গানাসাস মার্কেটের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটি ও বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটি, গাইবান্ধা জেলা শাখা এ সমাবেশের আয়োজন করে।
বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা শাখার আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক ওয়াজিউর রহমান রাফেল, গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদজামান রব্বানী, কমিউনিস্ট নেতা রেবতী মোহন বর্মন, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রজতকান্তি বর্মন, নাট্যকর্মী শাহ আলম বাবলু, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, এ.কে.এম মনির হোসেন সুইট, কাজী আব্দুল খালেক, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট কুশলাশীষ চক্রবর্তী ও রবিদাস ফোরামের খিলন রবিদাস প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন গাইবান্ধা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অ্যাডভোকেট ফারুক কবীর।
বক্তারা বলেন, আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির কথা বলে বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার চালু করা হলেও এতে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। পাশাপাশি মিটার রিচার্জ, বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রাহকদের নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সমাবেশ থেকে গ্রাহক শোষণ ও হয়রানির অভিযোগ তুলে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল, সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদ্যুৎখাত বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ, বিদ্যুৎ সংকটের জনবান্ধব সমাধান, বিদ্যুৎখাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Kaysar Plabon

Popular Post

সিলেটে গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার

উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে প্রিপেইড মিটার: গাইবান্ধায় বাতিলের দাবি

Update Time : ০৭:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘উন্নত প্রযুক্তির’ নামে বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।
শনিবার সকালে গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডে গানাসাস মার্কেটের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়। ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটি ও বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটি, গাইবান্ধা জেলা শাখা এ সমাবেশের আয়োজন করে।
বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা শাখার আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক ওয়াজিউর রহমান রাফেল, গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাবু, জেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুরাদজামান রব্বানী, কমিউনিস্ট নেতা রেবতী মোহন বর্মন, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রজতকান্তি বর্মন, নাট্যকর্মী শাহ আলম বাবলু, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, এ.কে.এম মনির হোসেন সুইট, কাজী আব্দুল খালেক, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট কুশলাশীষ চক্রবর্তী ও রবিদাস ফোরামের খিলন রবিদাস প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন গাইবান্ধা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অ্যাডভোকেট ফারুক কবীর।
বক্তারা বলেন, আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির কথা বলে বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার চালু করা হলেও এতে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। পাশাপাশি মিটার রিচার্জ, বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রাহকদের নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সমাবেশ থেকে গ্রাহক শোষণ ও হয়রানির অভিযোগ তুলে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল, সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদ্যুৎখাত বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ, বিদ্যুৎ সংকটের জনবান্ধব সমাধান, বিদ্যুৎখাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।