বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় রেললাইনের পাশ থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধা সদর উপজেলার শিমুলতাড়ই এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে আবদুল সামাদ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রেললাইনের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা গাইবান্ধা রেলস্টেশন মাস্টারকে খবর দেন। পরে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত আবদুল সামাদ মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাবুদখাল গ্রামের মৃত আবদুল সালাম মিয়ার ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
গাইবান্ধা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর ইনচার্জ সাহেব গণি জানান, মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর নিহতের চাচাতো ভাই সাজু মিয়া থানায় এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের স্ত্রী ময়না বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Kaysar Plabon

Popular Post

সিলেটে গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায় রেললাইনের পাশ থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০১:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধা সদর উপজেলার শিমুলতাড়ই এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে আবদুল সামাদ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রেললাইনের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা গাইবান্ধা রেলস্টেশন মাস্টারকে খবর দেন। পরে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত আবদুল সামাদ মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাবুদখাল গ্রামের মৃত আবদুল সালাম মিয়ার ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
গাইবান্ধা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর ইনচার্জ সাহেব গণি জানান, মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহের ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর নিহতের চাচাতো ভাই সাজু মিয়া থানায় এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানায়, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের স্ত্রী ময়না বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।