জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে ব্যাংক থেকে অর্থ লুটপাটের দায় জনগণের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে সংশ্লিষ্টদের সম্পদ বিক্রি করে ক্ষতি পূরণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘গার্মেন্টস শ্রমিকদের আশু মজুরি বৃদ্ধি ও নতুন মজুরি কাঠামো কেন জরুরি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব দাবি জানান। গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে সিপিডির সাবেক গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বর্তমান মজুরি কাঠামোয় শ্রমিকদের খাদ্য, যাতায়াত ও চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত ভাতা নেই। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মজুরি কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষা ও বিনোদন ভাতা যুক্ত করারও দাবি জানান তিনি।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে আলোচনা হওয়া উচিত। সড়ক অবরোধ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোনো পক্ষেরই সুফল আসবে না। তৈরি পোশাকশিল্পের পাশাপাশি অন্যান্য শিল্প খাতের পরিস্থিতিও বিবেচনায় নিয়ে মজুরি নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ বলেন, শ্রমিকদের শ্রম ও ঘামের ওপর দাঁড়িয়ে আছে তৈরি পোশাকশিল্প। শ্রমিকেরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন না করলে ন্যায্য মজুরি ও অধিকার আদায় কঠিন। তাই নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শ্রমিকদের সংগঠিত হয়ে আন্দোলনে এগিয়ে আসতে হবে।
সেমিনারে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি আহসান হাবীব বুলবুল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু এবং সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফীসহ শ্রমিক নেতারা বক্তব্য দেন।
Reporter Name 






















