শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সান্তাহারে শুভসংঘের বিভাগীয় সম্মেলন, সম্মাননা পেলেন ৬৫ সংগঠক

মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রত্যয়ে বগুড়ার সান্তাহারে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন। এতে দুই বিভাগের ১৬ জেলা থেকে আসা তিন শতাধিক সদস্য অংশ নেন। সম্মেলনে সাংগঠনিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬৫ জন সংগঠককে সম্মাননা দেওয়া হয়।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের হীরাঝিল কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ‘চলি মানবতার সাথে’ স্লোগানে আয়োজিত সম্মেলনে মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ, সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক, বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান ও বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ইমদাদুল হক মিলন।
বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি শামীম আল মামুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম, সংগঠনের উপদেষ্টা ও শখের পল্লীর স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম এবং বগুড়ার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিমন বাসার।
সম্মেলনে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচিত ৬৫ জন সংগঠককে ‘সেরা সংগঠক সম্মাননা স্মারক’ ও সনদপত্র দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বগুড়ার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিমন বাসার ও সান্তাহারের প্রবীণ সাংবাদিক আলহাজ রফিকুল ইসলাম মন্টুকে ‘কৃতী সাংবাদিক সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ শুধু একটি সামাজিক সংগঠন নয়, এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুদৃঢ় অঙ্গীকার। অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় সংগঠনের সদস্যদের এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি তরুণদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে হবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করার এই প্রত্যয় দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তারা বলেন, মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে সংগঠনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম দেশের তৃণমূল পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Kaysar Plabon

Popular Post

আইসিসিবিতে জমজমাট গাড়ির বাজার, কেনাকাটায় নানা উপহার

সান্তাহারে শুভসংঘের বিভাগীয় সম্মেলন, সম্মাননা পেলেন ৬৫ সংগঠক

Update Time : ০৬:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রত্যয়ে বগুড়ার সান্তাহারে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় সম্মেলন। এতে দুই বিভাগের ১৬ জেলা থেকে আসা তিন শতাধিক সদস্য অংশ নেন। সম্মেলনে সাংগঠনিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬৫ জন সংগঠককে সম্মাননা দেওয়া হয়।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের হীরাঝিল কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ‘চলি মানবতার সাথে’ স্লোগানে আয়োজিত সম্মেলনে মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ, সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক, বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান ও বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ইমদাদুল হক মিলন।
বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি শামীম আল মামুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম, সংগঠনের উপদেষ্টা ও শখের পল্লীর স্বত্বাধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম এবং বগুড়ার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিমন বাসার।
সম্মেলনে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচিত ৬৫ জন সংগঠককে ‘সেরা সংগঠক সম্মাননা স্মারক’ ও সনদপত্র দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বগুড়ার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিমন বাসার ও সান্তাহারের প্রবীণ সাংবাদিক আলহাজ রফিকুল ইসলাম মন্টুকে ‘কৃতী সাংবাদিক সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ শুধু একটি সামাজিক সংগঠন নয়, এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুদৃঢ় অঙ্গীকার। অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও বিপদগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতায় সংগঠনের সদস্যদের এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি তরুণদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে হবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করার এই প্রত্যয় দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তারা বলেন, মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বসুন্ধরা শুভসংঘ কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে সংগঠনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম দেশের তৃণমূল পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।